Summary
ঘর্ষণকে চার ধরনের ভাগ করা হয়েছে:
- স্থিতি ঘর্ষণ (Static Friction): দুটো বস্তু স্থির থাকাকালীন যা ঘর্ষণ বল ঘটে। উদাহরণস্বরূপ, হাঁটার সময় পা বা জুতো মাটিতে আটকে থাকা।
- গতি ঘর্ষণ (Sliding Friction): যখন একটি বস্তুর সাপেক্ষে অন্য একটি বস্তু চলমান থাকে তখন তৈরি হওয়া ঘর্ষণ। সাইকেলের ব্রেক চাপলে চাকাকে থামাতে সাহায্য করে।
- আবৰ্ত ঘর্ষণ (Rolling Friction): একটি তলের উপর অন্য একটি বস্তুর ঘুরে চলার সময় ঘটে। অন্য ঘর্ষণগুলি অপেক্ষা এটি সব থেকে কম শক্তিশালী। যেমন, চাকা লাগানো স্যুটকেস সহজে টেনে নেওয়া যায়।
- প্রবাহী ঘর্ষণ (Fluid Friction): কোনো বস্তু যখন তরল বা গ্যাসের মধ্য দিয়ে যায় তখন ঘটে। উদাহরণস্বরূপ, প্যারাস্যুটের কারণে বাতাসের ঘর্ষণ ধীরে নেমে আসতে সাহায্য করে।
ঘর্ষণকে চারভাবে ভাগ করা যায়। স্থিতি ঘর্ষণ, গতি ঘর্ষণ, আবর্ত ঘর্ষণ এবং প্রবাহী ঘর্ষণ:
স্থিতি ঘর্ষণ (Static Friction): দুটো বস্তু একে অন্যের সাপেক্ষে স্থির থাকা অবস্থায় যে ঘর্ষণ বল থাকে সেটা হচ্ছে স্থিতি ঘর্ষণ। স্থিতি ঘর্ষণের জন্য আমরা হাঁটতে পারি, আমাদের পা কিংবা জুতোর তলা মাটিতে স্থিতি ঘর্ষণের কারণে আটকে থাকে এবং পিছলে পড়ে যাই না!
গতি ঘর্ষণ (Sliding Friction) : একটি বস্তুর সাপেক্ষে অন্য বস্তু যখন চলমান হয় তখন যে ঘর্ষণ বল তৈরি হয় সেটি হচ্ছে গতি ঘর্ষণ। সাইকেলের ব্রেক চেপে ধরলে সেটি সাইকেলের চাকাকে চেপে ধরে এবং ঘুরন্ত চাকাকে গতি ঘর্ষণের কারণে থামিয়ে দেয়। গতি ঘর্ষণ ওজনের উপর নির্ভর করে, ওজন যত বেশি হবে গতি ঘর্ষণ তত বেশি হবে। যদি কোনো কিছুর ভর M হয় তাহলে তার ওজন একটি বল, যার পরিমাণ w = Mg। তাহলে গতি ঘর্ষণ f কে লিখতে পারি f = W এখানে গতি ঘর্ষণ সহগ।
আবৰ্ত ঘর্ষণ (Rolling Friction) : একটি তলের উপর যখন অন্য একটি বস্তু পড়িয়ে বা ঘুরতে ঘুরতে চলে তখন সেটাকে বলে আবর্ত ঘৰ্ষণ। সবগুলো ঘর্ষণ বলের মধ্যে এটা সবচেয়ে ছোট ।আমরা সব সময়ই সকল রকম যানবাহনের মাঝে চাকা লাগিয়ে নিই। চাকা লাগানো স্যুটকেস খুব সহজে টেনে নেওয়া যায়, যদি এর চাকা না থাকত তাহলে মেঝের উপর টেনে নিতে আমাদের অনেক বেগ পেতে হতো।
প্রবাহী ঘর্ষণ (Fluid Friction) : যখন কোনো বস্তু তরল বা বায়বীয় পদার্থ (Fluid) এর ভেতর দিয়ে যায় তখন সেটি যে ঘর্ষণ বল অনুভব করে সেটি হচ্ছে প্রবাহী ঘর্ষণ। প্যারাস্যুট নিয়ে যখন কেউ প্লেন থেকে ঝাঁপিয়ে পড়ে তখন বাতাসের প্রবাহী ঘর্ষণের কারণে ধীরে ধীরে নিচে নেমে আসতে পারে ।